যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছ থেকে গ্রেপ্তার পাঁচজন জামিনে মুক্ত

· Prothom Alo

যুক্তরাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমানঘাঁটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের কাছ থেকে গ্রেপ্তার পাঁচ সন্দেহভাজনকে গতকাল সোমবার জামিনে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। তাঁদের বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসী অপরাধে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

Visit afnews.co.za for more information.

কর্মকর্তাদের দাবি, বড় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ওই পাঁচজন আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের কাছে গিয়েছিলেন। আর এ ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের হাত আছে বলে ইঙ্গিত করা হচ্ছে। তবে ইরান বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

সন্দেহভাজন ওই পাঁচ ব্যক্তির সবাই ব্রিটেনের নাগরিক বলে জানা গেছে। তাঁদের সবার বয়স ২০–এর কোঠায়।

যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাসবাদবিরোধী পুলিশের প্রধান লরেন্স টেলর বলেন, ‘ওই পাঁচজনকে কঠিন শর্তে জামিন দেওয়া হয়েছে। তার মানে এই নয় যে তদন্ত শেষ হয়ে গেছে। আমরা একাধিক দিক থেকে তদন্ত চালাচ্ছি। তাঁরা এখনো তদন্তের আওতায়।’

আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করেছে।

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় গত রোববার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ওই ঘাঁটি অভিমুখে সন্দেহজনক তিনটি গাড়ি যাচ্ছে বলে খবর পায় গ্লস্টারশায়ার পুলিশ। পরে ঘাঁটি থেকে প্রায় ৩ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরের উইলফোর্ড এলাকায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্তকারীরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি, কোনো বিদেশি সরকার এই কথিত ষড়যন্ত্রের পেছনে ছিল কি না। ইরান, রাশিয়া কিংবা কোনো বিদেশি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে ইরানের সরাসরি কোনো যোগসূত্রের কথা পুলিশ প্রকাশ্যে উল্লেখ করেনি।

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় গত রোববার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ওই ঘাঁটি অভিমুখে সন্দেহজনক তিনটি গাড়ি যাচ্ছে বলে খবর পায় গ্লস্টারশায়ার পুলিশ। পরে ঘাঁটি থেকে প্রায় ৩ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরের উইলফোর্ড এলাকায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‘ইরানভীতি ছড়ানোর অপপ্রচার’

সন্ত্রাসবাদবিরোধী পুলিশের প্রধান লরেন্স টেলর অবশ্য তাঁর বক্তব্যে সরাসরি ইরানের নাম উল্লেখ করেননি। তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো রাষ্ট্রের যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

লরেন্স টেলর বলেন, ‘সবদিক থেকেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনও হতে পারে, অন্য কোনো রাষ্ট্রের হয়ে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কাজ করা ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।’

তবে এ ঘটনার সঙ্গে ইরানের কোনো যোগসূত্র থাকার কথা সরাসরি নাকচ করেছে লন্ডনে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস। গতকাল এক বিবৃতিতে দূতাবাসটি বলেছে, ব্রিটেনের কিছু ব্যক্তি ও সংবাদমাধ্যমের ‘ভিত্তিহীন ও বিদ্বেষপূর্ণ’ অভিযোগ তারা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে এবং এর নিন্দা জানাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে বিমানঘাঁটিতে কী ঘটেছে, এ পর্যন্ত যা জানা গেল

ইরানের দূতাবাস আরও বলেছে, এসব অভিযোগ যুক্তরাজ্যে ‘ইরানভীতি ছড়ানোর অপপ্রচারে’ ইন্ধন জোগাবে। এ ঘটনায় উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকারও ইরানের আছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এ ঘটনার সঙ্গে ইরানের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন। তবে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জামিনে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এমনটা করতাম না।’

যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছ থেকে গ্রেপ্তার ৫, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৮৫ বাড়ির লোকজনকে

Read full story at source