অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা প্রাথমিকে নিয়োগবঞ্চিতদের
· Prothom Alo

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫–এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। আজ রোববার রাজধানীর শাহবাগে জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে তাঁরা এ ঘোষণা দেন।
Visit afnews.co.za for more information.
এর আগে দুপুরে অবস্থান কর্মসূচি পালনকারীদের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল শিক্ষামন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে দেখা করতে সচিবালয়ে যায়। তবে প্রতিনিধিদলের অভিযোগ, সেখানে গিয়ে তাঁরা কারও দেখাই পাননি এবং অবহেলার শিকার হয়েছেন।
সেখান থেকে ফিরে প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেন আরমানুল রহমান। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) তাঁদের সচিবালয়ে প্রতিনিধিদল পাঠাতে বলেছিলেন। সে অনুযায়ী প্রতিনিধিদল গেলেও সেখানে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তাঁদের সঙ্গে অবহেলাপূর্ণ আচরণ করা হয়েছে।
আরমানুল আরও বলেন, ‘আইন বা নীতিগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আমাদের বঞ্চিত করা হলেও আন্দোলন চালিয়ে যাব এবং এটি আমাদের জন্য জীবন-মরণের প্রশ্ন। চাকরির আশায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর নিয়োগ না পাওয়ায় আমাদের জীবন-জীবিকা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত সবাই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাব।’
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। শাহবাগ, ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বরএর আগে সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা। পরে বেলা ১১টার দিকে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নেন তাঁরা। ‘নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রার্থীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। এতে তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫–এর ভেরিফিকেশনে (যাচাই–বাছাই) বাদ পড়েছেন ২ হাজারের বেশি প্রার্থী।