গাজী নজরুলের বিষয়ে স্পিকারের কাছ থেকে এখনো চিঠি পায়নি নির্বাচন কমিশন: ইসি সচিব

· Prothom Alo

জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য (সাতক্ষীরা–৪ আসন) পদের বিষয়ে স্পিকারের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখন পর্যন্ত কোনো চিঠি পায়নি। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবালয়ের সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

Visit newsbetting.club for more information.

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। তারা বিষয়টি স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অবহিত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়। তবে এখন পর্যন্ত স্পিকার কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। তিনি এখনো সংসদ সদস্য আছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, জামায়াতে ইসলামী বেশ কিছুদিন আগে তাদের দলীয় প্যাডে ইসিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল যে গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ইসির এ মুহূর্তে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, বিষয়টি সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিকে জানানোর বিধান আছে। যদি ইসি স্পিকারের কাছ থেকে চিঠি পায় তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে কিংবা দল থেকে পদত্যাগ করলে তাঁর আসন শূন্য হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর যদি দল তাঁকে বহিষ্কার করে, সে ক্ষেত্রে কী হবে—তা সংবিধানে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা নেই।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এবং এই পদে থাকার বেশ কিছু যোগ্যতার কথা বলা আছে। একই সঙ্গে এই অনুচ্ছেদে বলা আছে, নির্বাচিত হওয়ার পর কোনো সংসদ সদস্য ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অযোগ্য হয়েছেন কি না বা ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোনো সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে কি না, সে সম্পর্কে কোনো বিতর্ক দেখা দিলে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। এ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের পর তাঁকে সংসদীয় কমিটিতে না রাখার জন্যও সরকারি দলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। তার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে দুটি সংসদীয় কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু ৭ সেপ্টেম্বর সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটিতে তাঁর নাম রাখা হয়েছিল। পরে জামায়াতে ইসলামীর আপত্তির কারণে তাঁর নাম বাদ দিয়ে কমিটিটি পুনর্গঠন করা হয়।

সেদিন সংসদে বিষয়টি নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়েছিল। সেদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেছিলেন, দল থেকে বহিষ্কার করা হলে সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না। নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ আসে না।

Read full story at source