বজ্রপাতের সতর্কবার্তা কেন মাঠের মানুষের কাছে পৌঁছায় না
· Prothom Alo

প্রতি বছর ২৮ জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস পালিত হয়। দিনটির পেছনে আছে উগান্ডার এক মর্মান্তিক ঘটনা।
২০১১ সালের এই দিনে উগান্ডার কিরিয়ানডোঙ্গো জেলার রুনিয়ানিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক বজ্রপাতে ১৮ শিশু নিহত ও ৩৮ জন আহত হয়। সেই ট্র্যাজেডির স্মরণেই দিনটি এখন বিশ্বজুড়ে বজ্রপাত নিরাপত্তা সচেতনতার দিন হিসেবে পালিত হয়।
Visit mwafrika.life for more information.
কেন এমন একটি দিবস দরকার হলো? কারণ ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা ভূমিকম্প নিয়ে জনপরিসরে যত আলোচনা হয়, বজ্রপাত নিয়ে ততটা হয় না। কিন্তু বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ বজ্রপাতে প্রাণ হারান।
অথচ সময়মতো সতর্কবার্তা, নিরাপদ আশ্রয় আর সঠিক আচরণ জানলে বহু মৃত্যু হয়তো এড়ানো সম্ভব হতো।
এই বিপদটিকে সামনে আনা, আবহাওয়া সংস্থা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, স্থানীয় সরকার ও সাধারণ মানুষকে একই আলোচনায় আনা এই দিবসের মূল মোক্ষ।
বাংলাদেশে বজ্রপাত এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো প্রাকৃতিক ঘটনা নয়। এটি একটি মারাত্মক প্রাণঘাতী দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। দেশে প্রতি বছর লাখ লাখ বজ্রপাত ঘটে, যার একটি অংশ মাটিতে আঘাত হানে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর, খোলা মাঠ, নদী-নৌকা, জলাশয় এবং কৃষিকাজে যুক্ত মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
বজ্রনিরোধক দণ্ডে কি কাজ হচ্ছে, না জেনেই কেন আরও স্থাপনের আলোচনাএপ্রিল থেকে জুন, বিশেষ করে প্রাক-মৌসুমি সময়ে ঝুঁকি বেশি। অনেক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে সকাল বা বিকেলে যখন কৃষক মাঠে যান, গরু আনতে বের হন, মাছ ধরেন, বা কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশে বজ্রপাতে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩৫০ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ২০১৬ সালে সরকার বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে। কিন্তু দুর্যোগ ঘোষণার প্রায় এক দশক পরও আমাদের প্রস্তুতি প্রয়োজনের তুলনায় কম।
মানুষের সচেতনতা সীমিত, স্থানভিত্তিক সতর্কবার্তা প্রচারের ব্যবস্থা দুর্বল, অর্থায়ন অপর্যাপ্ত। আর অনেক উদ্যোগ এখনো জীবন রক্ষার সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নটির উত্তর দিতে পারছে না: ঝুঁকিতে থাকা মানুষ সতর্কবার্তা পেয়ে সত্যিই কি নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারছে?
বজ্রপাতের সময় এখন, কারা বেশি মারা যায়গত কয়েক সপ্তাহের সংবাদগুলো সেই কঠিন বাস্তবতাই আবার দেখিয়েছে। কোথাও সকালে বজ্রপাতের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, দুপুরে একই এলাকায় কৃষক বা গরু আনতে যাওয়া মানুষ মারা গেছেন।
কোথাও সতর্কতা জারির কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠে কাজ করা মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তার মানে, পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা তৈরি হচ্ছে। কিন্তু বার্তাটি সময়মতো মাঠের মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। পৌঁছালেও অনেকে জানেন না, তখন কী করবেন, কোথায় যাবেন। এই ঘাটতিটাই এখন প্রাণঘাতী।
তবে এই ব্যবধানের পেছনে শুধু প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা নেই; আছে পেটের দায়ও। হাওরের কৃষক জানেন আকাশ কালো হয়ে এসেছে, কিন্তু ধান কাটার মৌসুমে এক দিনের দেরিও পরিবারের কয়েক মাসের আয়ে টান ফেলতে পারে।
‘শুনলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাই তখনই’জেলে জানেন বজ্রপাতের ঝুঁকি আছে, কিন্তু জাল না তুললে সংসার চলে না। নির্মাণশ্রমিক জানেন উন্মুক্ত ছাদে কাজ করা বিপজ্জনক, কিন্তু দিনমজুরি না করলে সেদিন চুলা জ্বলে না। এই বাস্তবতা না বুঝে বজ্রপাত নিরাপত্তা নিয়ে কথা বললে তা অর্ধেক কথা হয়ে যায়।
সতর্কতা হিসেবে শুধু ‘বাইরে যাবেন না’ বললেই কাজ শেষ হয় না। মানুষ যেন সতর্কবার্তা মানতে পারে, সেই সুযোগও তৈরি করতে হবে। হাওর, খোলা মাঠ, নৌঘাট, বাজার, নির্মাণস্থল ও ঝুঁকিপূর্ণ কর্ম এলাকায় কাছাকাছি নিরাপদ আশ্রয় থাকতে হবে।
সতর্কতার সময় নিরাপদ বিরতি, শ্রমিকের মজুরি সুরক্ষা, নৌঘাটে অপেক্ষার নিরাপদ ব্যবস্থা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র সহায়তা তহবিল বা বিমার মতো উদ্যোগও ভাবতে হবে। যে সতর্কবার্তা মানুষের জীবিকার বাস্তবতা বোঝে না, তা অনেক ক্ষেত্রেই তার আচরণ বদলাতে পারে না।
বজ্রপাত নিরাপত্তা তাই শুধু আবহাওয়ার সতর্কতা নয়; এটি সামাজিক সুরক্ষা, স্থানীয় প্রস্তুতি ও জীবিকা-সংবেদনশীল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনারও অংশ।
মানুষের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণাও কম নয়। কেউ মনে করেন, মোবাইল ফোন বজ্রপাত ডেকে আনে। কেউ ভাবেন, বজ্রপাতে আহত ব্যক্তিকে ছোঁয়া বিপজ্জনক। আবার অনেকেই গাছের নিচে দাঁড়ানোকে নিরাপদ মনে করেন।
বাস্তবে বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, গাছের নিচ, জলাশয়, টিনের খোলা চালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি বা ধাতব কাঠামোর কাছে থাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
বজ্রপাতে প্রাণহানি ঠেকানোর উপায় কীঅন্যদিকে বজ্রপাতে আহত ব্যক্তিকে স্পর্শ করা নিরাপদ; দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং আহত ব্যক্তিকে সময়মতো সিপিআর দিলে জীবন বাঁচাতে পারে। প্রযুক্তির পাশাপাশি মানুষের আচরণ বদলানো তাই খুব জরুরি।
আজ স্বল্পমেয়াদি বজ্রপাত পূর্বাভাস বা নাওকাস্টিং করা সম্ভব। বজ্রপাত ঠিক কোন বিন্দুতে পড়বে, তা শতভাগ নির্ভুলভাবে বলা যায় না। কিন্তু কোন এলাকায় আগামী ৪৫ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি, তা আধুনিক আবহাওয়া প্রযুক্তির সহায়তায় অনেকাংশে চিহ্নিত করা যায়।
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা জানা গেলে সতর্কবার্তা দেওয়াও সম্ভব। কিন্তু পূর্বাভাস তৈরি করাই শেষ কথা নয়। আসল কাজ হলো, সেই বার্তা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং তাকে নিরাপদ আচরণে উৎসাহিত করা।
দুঃখজনক হলেও সত্য, অতীতে বজ্রপাত মোকাবিলায় নেওয়া কিছু উদ্যোগ মানুষের জীবন রক্ষার চেয়ে যন্ত্রপাতি স্থাপন বা বিচ্ছিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।
কোথাও বজ্রনিরোধক দণ্ড বসানো হয়েছে, কোথাও যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে, কোথাও পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেগুলো কতজন মানুষকে আগাম সতর্ক করেছে, কতজন কৃষককে মাঠ থেকে ফিরিয়েছে, কতজন জেলে বা শিক্ষার্থীকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে এই হিসাব স্পষ্ট নয়।
জীবন রক্ষায় কার্যকারিতা যাচাই না করে প্রকল্প নিলে প্রত্যাশিত ফল আসে না; বরং সম্পদ অপচয়ের ঝুঁকি বাড়ে।
বাংলাদেশে বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে তিনটি অগ্রাধিকার একসঙ্গে মেটাতে হবে। প্রথমত, উপজেলা, ইউনিয়ন বা হাওরভিত্তিক স্থানীয় পর্যায়ে আগাম সতর্কবার্তা প্রস্তুত করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, সেই বার্তা সাইরেন, এসএমএস, ভয়েস মেসেজ, রেডিও, স্থানীয় মাইকিং ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে।
তৃতীয়ত, মানুষকে আগে থেকেই শেখাতে হবে বজ্রধ্বনি শুনলে বা সতর্কবার্তা পেলে সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে এবং শেষ বজ্রধ্বনি শোনার পর অন্তত ৩০ মিনিট বাইরে না যাওয়াই নিরাপদ।
অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কৃষকের মাঠ থেকে পায়ে হাঁটার দূরত্বে পাকা আশ্রয় আছে কি না, সেটিও পরিকল্পনার অংশ হওয়া উচিত। পাশাপাশি যেকোনো আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্পে পূর্বাভাস, সতর্কবার্তা প্রচার, স্থানীয় সাইরেন, কমিউনিটি প্রশিক্ষণ, মহড়া, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবহারবিধি রাখতে হবে। শুধু কাঠামো নির্মাণ করলে হবে না; কাঠামোর সঙ্গে জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা যুক্ত করতে হবে।
এ কাজ একা কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর, গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ফেসবুক পোস্ট দিয়ে সতর্কবার্তা প্রকাশ করলে হবে না। যে কৃষক মাঠে আছেন, যে শ্রমিক নির্মাণস্থলে কাজ করছেন, যে জেলে নৌকায় আছেন, যে শিক্ষার্থী স্কুল থেকে ফিরছে তার কাছে বা তার আশপাশে সতর্কবার্তা পৌঁছাতে হবে।
২০২৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক সহযোগীদের উদ্যোগে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর পরীক্ষামূলকভাবে নাওকাস্টভিত্তিক সতর্কবার্তা প্রচার শুরু করেছে এবং গত বছরই প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস পালন করেছে।
এটি আশাব্যঞ্জক। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সতর্কবার্তা এখনো অধিকাংশ ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের কাছে সময়মতো পৌঁছাচ্ছে না।
আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবসকে তাই জাতীয়ভাবে নিয়মিত পালনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে পাঠ্যক্রমে বজ্রপাত নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।
দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়তে হলে শিশু-কিশোরদের স্কুল থেকেই এ বিষয়ে শেখাতে হবে। শিশুরা যদি এই শিক্ষা ঘরে নিয়ে যায়, পরিবারের আচরণও বদলাতে শুরু করবে।
সাম্প্রতিক সময়ে সরকার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বজ্রপাত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছে-এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে আশ্রয়কেন্দ্র তখনই জীবন বাঁচাবে, যখন মানুষ সময়মতো জানবে ঝুঁকি আসছে, কাছের আশ্রয় কোথায়, সেখানে যেতে কত সময় লাগবে, এবং সতর্কবার্তা পাওয়ার পর কী করতে হবে।
অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কৃষকের মাঠ থেকে পায়ে হাঁটার দূরত্বে পাকা আশ্রয় আছে কি না, সেটিও পরিকল্পনার অংশ হওয়া উচিত। পাশাপাশি যেকোনো আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্পে পূর্বাভাস, সতর্কবার্তা প্রচার, স্থানীয় সাইরেন, কমিউনিটি প্রশিক্ষণ, মহড়া, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবহারবিধি রাখতে হবে।
শুধু কাঠামো নির্মাণ করলে হবে না; কাঠামোর সঙ্গে জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা যুক্ত করতে হবে।
বজ্রপাত মোকাবিলা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়। এটি আবহাওয়া পূর্বাভাস, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, কৃষি সম্প্রসারণ, স্থানীয় সরকার, গণমাধ্যম, মোবাইল প্রযুক্তি ও কমিউনিটি নেতৃত্বের সম্মিলিত দায়িত্ব।
শুরুটা হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা ও উপজেলায় বজ্রপাত মৌসুমের জন্য বার্ষিক প্রস্তুতি পরিকল্পনা দিয়ে। সেখানে থাকবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার তালিকা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সতর্কবার্তা বিতরণের পদ্ধতি, আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থান এবং প্রতিটি মৌসুম শেষে মূল্যায়ন প্রতিবেদন।
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হওয়া উচিত, প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ ইউনিয়নে বজ্রপাত নিরাপত্তা পরিকল্পনা, প্রতিটি স্কুলে বজ্রপাত নিরাপত্তা শিক্ষা, প্রতিটি হাওর এলাকায় সতর্কবার্তা ও আশ্রয়ব্যবস্থা এবং প্রতিটি মানুষের জন্য একটি সহজ বার্তা পৌঁছে দেওয়া: ‘শুনলে বজ্রধ্বনি, ঘরে যাই তখনই।’
বজ্রপাতে প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে থাকে একটি পরিবার, একটি শূন্যতা-যে কৃষক মাঠ থেকে আর ঘরে ফেরেননি, যে জেলে নৌকা থেকে ডাঙায় ওঠেননি, যে কিশোর খেলা শেষে বাড়ি ফিরতে পারেনি।
আমরা প্রযুক্তি জানি, পথও জানি। এখন দরকার সদিচ্ছা এবং মানুষের জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার। বজ্রপাত থামানো যাবে না, কিন্তু বজ্রপাতে মৃত্যু কমানো সম্ভব।
এ জন্য এখনই দরকার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কার্যকর পূর্বাভাস, দ্রুত সতর্কবার্তা, নিরাপদ আশ্রয়, সচেতনতা এবং জবাবদিহিমূলক প্রকল্পে বিনিয়োগ।
রায়হানুল হক খান: কন্ট্রি প্রোগ্রাম লিড, রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টি-হ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (রাইমস)
ইমেইল: [email protected]
খান মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী: আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ ও বজ্রপাত গবেষক, রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টি-হ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (রাইমস)
ইমেইল: [email protected]