বগুড়ার শেরপুরে দুটি শিল্পকারখানার নদীদূষণ কার্যক্রম বন্ধে ব্যর্থতা নিয়ে রুল
· Prothom Alo
বগুড়ার শেরপুরে অবস্থিত দুটি শিল্পকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্যে ফুলজোড়, করতোয়া ও বাঙ্গালী নদীর দূষণ কার্যক্রম বন্ধে ব্যর্থতা কেন বেআইনি ও জনস্বার্থবিরোধী ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। শিল্পকারখানা দুটি হলো এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ও মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড।
Visit grenadier.co.za for more information.
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ রোববার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি আবদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন। আইনের বিধান অনুসারে প্রতিষ্ঠান দুটির দূষণ কার্যক্রম রোধ এবং ফুলজোড়, করতোয়া ও বাঙ্গালী নদীকে দূষণ থেকে রক্ষার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা–ও জানতে চাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ওই রিটটি করে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী ও এস হাসানুল বান্না। তাঁদের সহায়তা করেন আইনজীবী রুমানা শারমিন।
রুলের বিষয়টি জানিয়ে পরে আইনজীবী এস হাসানুল বান্না প্রথম আলোকে বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পরিবেশসচিবসহ ১২ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ২০২৪ সালে করা পৃথক রিটের সঙ্গে বেলার এই রিট শুনানির জন্য রেখেছেন আদালত।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেলা জানায়, ফুলজোড়, করতোয়া ও বাঙ্গালী নদীসংলগ্ন বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ও মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড (রাইস ব্র্যান অয়েল) নামের শিল্পপ্রতিষ্ঠান দুটি অবস্থিত। শিল্পপ্রতিষ্ঠান দুটির অপরিশোধিত বর্জ্যে করতোয়া, বাঙ্গালী ও ফুলজোড় নদ এবং নদীর জীববৈচিত্র্য চরম অস্তিত্ব সংকটে। দূষণের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন সময় জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। শিল্পপ্রতিষ্ঠান দুটির অব্যাহত দূষণ থেকে এই তিনটি নদী ও নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ওই রিটটি করে বেলা।