একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে অস্ট্রেলিয়ায় এআইইউবির প্রতিনিধিত্ব  

· Prothom Alo

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদীন। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে তিনি এ সফরে অংশ নেন। সফরে দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা, ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

সফরের অংশ হিসেবে সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইশতিয়াক আবেদীন। অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক সরকারি সংস্থা অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের (এবিবিএফ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে উচ্চশিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি।

Visit xsportfeed.life for more information.

আলোচনায় অস্ট্রেডের এলোদি জুরনে, ভিক সিং, মোস্তাফিজুর রহমান ও স্যান্ডি সেনেভিরতের সঙ্গে মতবিনিময় হয়। এসব আলোচনায় দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কনফারেন্স (এআইইসি) ২০২৬ উপলক্ষে সিডনির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সম্মেলনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার ভবিষ্যৎ, নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র এবং বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এআইইউবির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাদি ইসলামও প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্বের সম্ভাবনা উঠে আসে।

Read full story at source