নেইমারকে মনে করিয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক হাকিমির, রেকর্ড এনরিকের
· Prothom Alo

পেশাদার ফুটবল খেলছেন প্রায় ১০ বছর। এর মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা রাইটব্যাক হিসেবে। চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন একাধিকবার। লিগ জিতেছেন দুটি দেশে। গোলও একদম কম নেই রাইটব্যাক হিসেবে। তবু কোথায় যেন একটু খামতি থেকে গিয়েছিল আশরাফ হাকিমির। ক্যারিয়ারে একটা হ্যাটট্রিক নেই!
লিগ আঁ–তে গতকাল রাতে লা হাভ্রের বিপক্ষে পিএসজির ৫–১ গোলে জয়ের পর এই কথাটা আর বলার সুযোগ নেই। এ ম্যাচে হাকিমি যে হ্যাটট্রিক করেছেন! শুধু কী তা–ই, ক্যারিয়ারের ৪৮৬তম এ ম্যাচে বানিয়েছেন দুটি গোলও।
Visit freshyourfeel.org for more information.
ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে গত চার মৌসুমে এক ম্যাচে পাঁচ গোল অবদানের (গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে) কীর্তি গড়া চতুর্থ খেলোয়াড় হাকিমি। এর আগে ফ্রান্সের লিগ আঁ-তে সর্বশেষ নজিরটি গড়েন নেইমার, পিএসজির হয়ে ২০২২ সালে। শুধু তা–ই নয়, ২০১৫–১৬ মৌসুম থেকে হিসাব করলে দেখা যায়, ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে ডিফেন্ডার হিসেবে এক ম্যাচে ৫ গোলে অবদান রাখা একমাত্র খেলোয়াড়ও মরক্কো তারকা। ২০১১ সালে কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট মালিকানায় আসার পর অফিশিয়াল প্রতিযোগিতায় ক্লাবটির ২০০০তম গোলও এ ম্যাচে করেছেন হাকিমি।
গোল উদ্যাপন হাকিমিরজয়ের পর পিএসজি টিভিকে হাকিমি বলেন, ‘আমার জন্য এটি একটি দারুণ (স্থানীয় সময়) সন্ধ্যা, বিশেষ করে আমরা জয় পাওয়ায় এবং পাশাপাশি এটি আমার প্রথম হ্যাট্রিকও। আমি খুবই আনন্দিত এবং এ জার্সিতে যতটা বেশি সম্ভব গোল করতে চাই।’
হাকিমি ‘শো’তে জিতে দারুণ এক রেকর্ডও গড়েন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। ২০২৩ সালে ক্লাবটির দায়িত্ব নেওয়ার পর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটা ছিল তাঁর ১২৭তম জয়। এত দিন লঁরা ব্লাঁর সঙ্গে সমান ১২৬ জয় নিয়ে এ রেকর্ডটি ভাগ করতে হয়েছিল পিএসজিকে সর্বশেষ দুই মৌসুমেই চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানো এনরিকেকে।
মেসি–রোনালদোর চেয়ে বাণিজ্যিক আকর্ষণ বেশি শুবমান গিলেরপিএসজি কোচ হিসেবে ১৮৮ ম্যাচে ১২৭ জয়ের পাশাপাশি ২৭ ম্যাচ হেরেছেন এনরিকে। জয়ের হার ৬৭.৬ শতাংশ এবং প্রতি ম্যাচে গড়ে ২.২১ পয়েন্ট পেয়েছেন। তাঁর অধীন ৪৫৭ গোল করেছে পিএসজি, যা লঁরা ব্লাঁর কোচিংয়ের সময় থেকে ৬৬ গোল বেশি।
পিএসজি কোচ লুইস এনরিকেইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি জয়ের রেকর্ডও এনরিকের। তাঁর পেছনে পড়া কোচদের নামগুলো দেখুন—মিকেল আরতেতা (১২১), পেপ গার্দিওলা (১১৬), ডিয়েগো সিমিওনে (১১০), উনাই এমেরি ও জাবি আলোনসো (১০১)।
পিএসজি টিভিকে এনরিকে বলেন, ‘এই পর্যায়ের একটি ক্লাবকে কোচিং করানো এবং এমন অবিশ্বাস্য খেলোয়াড়দের পাওয়া আমার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। আমি খুবই আনন্দিত এবং আশা করি প্যারিসে ইতিহাস গড়া অব্যাহত রাখতে পারব।’
ব্যালন ডি’অর: কে কত পয়েন্ট পেলেন, কোন দেশ কাকে ভোট দিল