থ্রিডি বায়োপ্রিন্টিংয়ে যেভাবে কৃত্রিম টিস্যু হয়

· Prothom Alo

প্লাস্টিক বা রেজিনের বদলে জীবন্ত কোষ ও বিশেষ জৈব উপাদান দিয়ে ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) কাঠামো তৈরির উদ্ভাবনী প্রযুক্তিই হলো থ্রিডি বায়োপ্রিন্টিং। জীববিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, উপাদানবিজ্ঞান ও প্রকৌশলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো মানবদেহের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামত করা। নতুন ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং পুনর্জনন চিকিৎসা গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা।

কীভাবে কাজ করে

Visit h-doctor.club for more information.

বায়োপ্রিন্টিংয়ের প্রথম ধাপে জীবন্ত কোষের সঙ্গে অ্যালজিনেট, জেলাটিন, কোলাজেন বা হায়ালুরোনিক অ্যাসিডের মতো সহায়ক উপাদান মিশিয়ে বিশেষ ‘বায়োইঙ্ক’ তৈরি করা হয়। এরপর কম্পিউটারে সংরক্ষিত সুনির্দিষ্ট নকশা অনুসরণ করে বায়োপ্রিন্টারের মাধ্যমে বায়োইঙ্ক স্তরে স্তরে সাজিয়ে ত্রিমাত্রিক কাঠামো তৈরি করা হয়। প্রিন্টিং মূলত এক্সট্রুশন, ইঙ্কজেট, লেজার, আলো, শব্দতরঙ্গ কিংবা চৌম্বকীয় পদ্ধতির মাধ্যমে করা যায়। প্রিন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর উপযুক্ত পরিবেশে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে কোষগুলোকে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া হয়।

কী তৈরি করা সম্ভব
বর্তমানে এই প্রযুক্তির সাহায্যে বিজ্ঞানীরা ত্বক, হাড়, তরুণাস্থি ও স্পন্দনক্ষম হৃৎপিণ্ডের টিস্যু কাঠামো তৈরি করছেন। পাশাপাশি যকৃৎ, অগ্ন্যাশয়, মস্তিষ্ক ও ক্যানসার গবেষণার জন্য তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্র টিস্যু মডেল। এর ফলে ক্ষত নিরাময়, ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ মেরামত, স্নায়ুতন্ত্রের রোগনির্ণয়, ক্যানসার কোষের আচরণ পর্যবেক্ষণ এবং মানবদেহের অনুকূল পরিবেশে নতুন ওষুধের কার্যকারিতা নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনর্গঠন ও গবেষণার পরিধি প্রসারে থ্রিডি বায়োপ্রিন্টিং এক অনন্য ভূমিকা রাখবে।

সূত্র: এআইসিএইচই ডটওআরজি

  • টেকবার্তার সঙ্গে যোগাযোগ: [email protected]

  • আহসান হাবীব

Read full story at source