বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: সেই কিশোরের জামিন আবার নামঞ্জুর

· Prothom Alo

রাজধানীর বারিধারায় গাড়িচাপায় (প্রাইভেট কার) নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় আইনের সংস্পর্শে আনা কিশোরের জামিন আবেদন আবার নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–৮–এর বিচারক মো. আবদুল মোক্তাদির শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন মামুন প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Visit sportbet.rodeo for more information.

শরীফ উদ্দীন বলেন, কিশোরের পক্ষে আজ জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী। জামিনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আদেশ দেন।

বারিধারায় গাড়িচাপা: সেই কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ

কিশোরের পক্ষে জামিনের আবেদন করা আইনজীবী খোরশেদ মিয়া আলম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর মক্কেল (কিশোর) অসুস্থ বিবেচনায় জামিনের আবেদন করেছিলেন। জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন আদালত।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর একই আদালত এই কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (সংশোধনাগার) পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন। সেদিন কিশোরের পক্ষে আদালতে জামিনের আবেদন দাখিল করা হয়েছিল। পরে শুনানি নিয়ে তার জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনের ১ নম্বর সড়কে। গাড়িচাপায় নিহত হন মেহেদী হাসান (২৪) নামের নির্মাণশ্রমিক। তাঁর বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে।

বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা, কিশোর আটক

ঘটনার সময় ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মেহেদী। দ্রুতগতির প্রাইভেট কারটি উঠে যায় সেই ফুটপাতে। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মেহেদী।

এ ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা করেন নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদীর ইসলাম। মামলায় কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি। গাড়িচালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। তবে পুলিশ এখনো তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা কিশোরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছিল উপস্থিত লোকজন। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রথমে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে পুলিশ ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কিশোরের সম্পৃক্ততা পায়। পরে তাকে আইনের সংস্পর্শে আনা হয়।

বারিধারায় গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: চালকের আসনে ছিল কিশোর, মামলায় আসামি আরেকজন

পুলিশ সূত্রে জানায়, ওই কিশোর ঢাকার গুলশান এলাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। বয়স ১৭ বছর। তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একজন ক্যাপ্টেন। আর দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি তার মায়ের নামে নিবন্ধিত।

টাকা জমিয়ে ঘর ঠিক করার স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন, পরদিনই থেমে গেল জীবন

Read full story at source