ডিপ্লোমা পরীক্ষা শুরু ৬ আগস্ট, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোকে বোর্ডের যে যে নির্দেশনা
· Prothom Alo

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি এবং সার্টিফিকেট ইন মেরিন ট্রেড শিক্ষাক্রমের পর্ব সমাপনী পরীক্ষা-২০২৫ আগামী বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) থেকে শুরু হবে। পরীক্ষা চলবে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।
২০২২ প্রবিধানভুক্ত ২য় ও ৫ম পর্বের পরীক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে ৪ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত। অন্যান্য পর্বের পরীক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৮ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
সুষ্ঠুভাবে এসব পরীক্ষা পরিচালনায় পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোকে বিশেষ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে গ্রহণের লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
ক. তত্ত্বীয় পরীক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশনা—
১.
সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দ্রাধীন সব প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে পরীক্ষা শুরুর পূর্বে একটি সভার আয়োজন করতে হবে।
২.
গত ২ জুলাই জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রবিধান ২০২২–এর আওতাধীন সব টেকনোলজিসমূহের Mathematic-1,2 & 3, Physics 1 & 2 এবং Chemistry বিষয়সমূহ পরিমার্জিত ও পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
৩.
একই টেকনোলজি/বিভাগের শিক্ষকদের ওই টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।
৪.
শুধু কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও পরীক্ষার্থী কোনো মোবাইল সঙ্গে রাখতে পারবেন না।
৫.
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে বোর্ড থেকে অনলাইনে প্রশ্নপত্রে তত্ত্বীয় পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
৬.
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এরপর প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, রেজি. নম্বর, পর্ব, টেকনোলজি, শিফট, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে ওই দিনই বোর্ডের কন্ট্রোল রুমে প্রতিবেদন প্রেরণ করতে হবে। একই পরীক্ষার্থী একাধিকবার বিলম্ব করলে তদন্ত করা হবে।
আইইএলটিএসের স্কোর কত দিন বৈধ, দেশভেদে যা জানা জরুরি৭.
কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশিপূর্বক প্রবেশ করাতে হবে।
৮.
পরীক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাদি সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিতে হবে এবং তাঁদের নিজ নিজ দায়িত্ব–কর্তব্য সম্পর্কে যথাযথভাবে অবগত করতে হবে।
৯.
জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রয়োজনে বোর্ডকে অবহিত করে ওই জেলা–উপজেলার সুবিধাজনক যেকোনো ভেন্যুতে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করতে পারবেন।
১০.
প্রতিদিন প্রতিবেলা পরীক্ষার তথ্য নিচের লিংকে প্রেরণ করতে হবে: www.bteb.gov.bd > অনলাইন তথ্য প্রেরণ/গ্রহণ > Center Examinee & Absent/Expelled তথ্য প্রেরণ এ ক্লিক করে 15-Diploma-In-Engg নির্বাচন করে Center code ও Password দিয়ে Login করে পরীক্ষার তথ্য পাঠাতে হবে। [অনলাইনের এন্ট্রিসংক্রান্ত হেল্প লাইন: ০১৫৫০৬২০৬০৪]
১১.
প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা শেষে অনুপস্থিতি রোল ও বহিষ্কার (যদি থাকে) রোল অনলাইনে এন্ট্রি করাতে হবে।
১২.
প্রতিদিন পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র লাল কাপড়ের মোড়কে সিলগালা করে বোর্ডে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর (দৃষ্টি আকর্ষণ: উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ডিপ্লোমা)) ভবন-০১, ৯ম তলা, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড উপ ডাকঘর, আগারগাঁও, ঢাকা-১২১০ ঠিকানায় প্রেরণ করতে হবে। প্রেরকের খামে কেন্দ্রের নাম, কেন্দ্র কোড, পরীক্ষার তারিখ, প্রেরণের তারিখ অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
খ. উত্তরপত্র ব্যবহারসংক্রান্ত—
শিক্ষা বোর্ড থেকে পূর্বে সরবরাহ করা উত্তরপত্র এবং বর্তমানে সরবরাহ করা উত্তরপত্র—উভয় প্রকার উত্তরপত্রই এই পরীক্ষায় ব্যবহার করা যাবে। তবে পুরাতন উত্তরপত্র প্রথমে ব্যবহার করতে হবে এবং তা শেষ হওয়ার পর নতুন উত্তরপত্র ব্যবহার করতে হবে।
কানাডায় পড়তে গেলে মানতে হবে নতুন নিয়ম, স্টাডি পারমিটে বাড়তি নজরদারিগ. আসন ব্যবস্থাপনা—
১.
পরীক্ষা কক্ষের পরীক্ষার্থীদের একদিকে মুখ করে বসাতে হবে; কোনো অবস্থাতেই মুখোমুখি বসানো যাবে না।
২.
এক পরীক্ষার্থী হতে অন্য পরীক্ষার্থীর দূরত্ব ডানে-বাঁয়ে, সামনে ও পেছনে কমপক্ষে ১ (এক) মিটার হতে হবে, যাতে এক আসন থেকে অন্য আসনে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় থাকে (৬ ফুট বেঞ্চে ২ জন এবং তার কম হলে ১ জন)।
৩.
কেন্দ্রের নিজস্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের পরস্পরের সন্নিকটে আসন ব্যবস্থা করা যাবে না। তবে একই কেন্দ্রে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। এ ক্ষেত্রে Z অথবা I আকারে আসন বিন্যাস করতে হবে।
৪.
আসন ব্যবস্থার এক বা একাধিক কপি পরীক্ষা কেন্দ্রের/ভেন্যুর প্রকাশ্য স্থানে সবার জ্ঞাতার্থে টানিয়ে দিতে হবে।
৫.
অসুস্থ পরীক্ষার্থী নির্দিষ্ট আসনে বসে পরীক্ষা দিতে না পারলে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার জন্য কেন্দ্রের মধ্যে বিশেষ স্থানের ব্যবস্থা করতে পারবেন।
৬.
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (অন্ধ, সেরিব্রাল পালসি জনিত এবং যাদের হাত নেই) পরীক্ষার্থী হলে পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতলেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাসংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণপূর্বক বোর্ডের অনুমতিপত্র সাপেক্ষে অংশগ্রহণ করা যাবে।
৭.
কোনো পরীক্ষার্থী কোনো কারণে কারাগারে আটক থাকলে এবং সে যদি ওই কারাগার থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চায়, তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে বোর্ডকে অবহিত করে শুধু তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে; তবে ব্যবহারিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে ল্যাব/ওয়ার্কশপে উপস্থিত হয়ে দিতে হবে। উল্লেখ্য, কারাগারে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যাবতীয় ব্যয়ভার সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থী বহন করবে।
ঢাবি আইবিএতে এমসিপিএস কোর্স, কোর্স ফি ৩২ হাজার, ভর্তিতে যা যা করতে হবেঘ. তত্ত্বীয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ডাউনলোডসংক্রান্ত নির্দেশনা—
১.
নিরাপত্তা বজায় রেখে প্রশ্নপত্র ডাউনলোড, প্রিন্ট, ফটোকপি করার জন্য দায়িত্বশীল শিক্ষক/কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে হবে এবং দিন ও শিফটভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষক/কর্মকর্তাদের রেকর্ড রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে।
২.
পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সার্ভারে প্রবেশ করে প্রশ্নপত্র ডাউনলোড করতে হবে। ওই সময়ে কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন পাওয়া না গেলে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট শাখায় (গোপনীয় শাখা) কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে যোগাযোগ করতে হবে। প্রশ্নপত্র ডাউনলোড প্রক্রিয়া: bteb.gov.bd প্রশ্নপত্র ডাউনলোড (Type center Code, Mobile Number & Use OTP then download the questions)
৩.
নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা সুরক্ষা নিশ্চিত করে ৩০ মিনিটের মধ্যে কেন্দ্রের প্রয়োজনীয় প্রশ্নপত্র প্রিন্ট করে পরীক্ষা কক্ষে প্রশ্নপত্র পৌঁছাতে হবে।
৪.
পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা বজায় রেখে প্রশ্নপত্র প্রেরণের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ই-মেইল এবং বিকল্প ই-মেইল ঠিকানা সচল রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে বোর্ডে দেওয়া মোবাইল নম্বর পরীক্ষা চলাকালে সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। অনলাইনে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মোবাইল নম্বর, বিকল্প মোবাইল নম্বর, ই–মেইল ঠিকানা ও বিকল্প ই–মেইল ঠিকানা পাঠাতে হবে।
৫.
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাধারণ ফিচারের (ক্যামেরাবিহীন) মোবাইল ব্যবহার করতে হবে।
৬.
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনুপাতে পরীক্ষার সময় (সকাল/বিকেল) পূর্ব থেকেই প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
৭.
কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক প্রশ্নপত্র প্রিন্ট ও সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার কক্ষে বিতরণের লক্ষ্যে Time Frame উল্লেখসহ পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বে অনলাইনে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কার্যক্রম গ্রহণের চেক-লিস্ট (Check List) তৈরি করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৮.
বিদ্যুৎ ব্যবস্থা/বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ/বিকল্প ইন্টারনেট সংযোগ এবং পরীক্ষার্থীর সংখ্যার ভিত্তিতে ফটোকপি মেশিন, ডুপ্লো-মেশিন, প্রিন্টারের ব্যবস্থা রাখতে হবে উহা সচল রাখতে হবে। এ ছাড়া প্রিন্টার, ফটোকপি মেশিন ও ডুপ্লো-মেশিন ইত্যাদির টোনার, প্রশ্নপত্র ছাপানোর কাগজ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি কেন্দ্রে পূর্ব থেকেই মজুত রাখতে হবে।
ঙ. ব্যবহারিক পরীক্ষাসংক্রান্ত নির্দেশনা—
১. ব্যবহারিক সমাপনী পরীক্ষার সময়সূচি:
পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, দুটি ধাপে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১ম ধাপে ২০২২ প্রবিধানভুক্ত ২য় ও ৫ম পর্বের পরীক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষা ০১-০৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. পর্যন্ত (কমবেশি হতে পারে) তত্ত্বীয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সব টেকনোলজিতে অনুষ্ঠিত হবে, এবং ২য় ধাপে অন্য সব পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক পরীক্ষা ০৮-১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. পর্যন্ত (কমবেশি হতে পারে) একইভাবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
২.
পরিমার্জিত ও পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাস অনুযায়ী Mathematic-1, 2 & 3 বিষয়সমূহের ব্যবহারিক অংশের সব নম্বর ব্যবহারিক ধারাবাহিক (PC) হিসেবে প্রদান করতে হবে; বিধায় ব্যবহারিক সমাপনী (PF) পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে না।
৩.
একই কেন্দ্রের অধীনে সময়সূচিতে উল্লিখিত তারিখ ও সময়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। যদি কোনো কেন্দ্রে কোনো টেকনোলজিবিষয়ক ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ল্যাব/যন্ত্রপাতি না থাকে, তবে ওই কেন্দ্রের অধীন যে প্রতিষ্ঠানে ওই বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণের উপযোগী ল্যাব/যন্ত্রপাতি আছে, সেই প্রতিষ্ঠানের ল্যাব/যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
৫.
সব ব্যবহারিক বিষয়ের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য অভ্যন্তরীণ (Internal) ও অনাভ্যন্তরীণ (External) পরীক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাঠদানকারী শিক্ষককে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।
৬.
বোর্ড থেকে কোনো টেকনোলজির অনাভ্যন্তরীণ পরীক্ষক (External) নিয়োগ প্রদান করা না হলে/অতিরিক্ত প্রয়োজন হলে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন শিল্পকারখানা/প্রকৌশল বিভাগ/সরকারি পলিটেকনিকের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে সংশ্লিষ্ট টেকনোলজির অনাভ্যন্তরীণ (External) পরীক্ষক নিয়োগ দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে টেকনোলজিভিত্তিক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা ও মোবাইল নম্বর আগে থেকেই কেন্দ্রে সংরক্ষিত রাখতে হবে। উল্লেখ্য, একই প্রতিষ্ঠানের অন্য কোনো শিক্ষক/কর্মকর্তা অনাভ্যন্তরীণ পরীক্ষক (External) হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
৭.
সাধারণত প্রতিদিন ৪ (চার) শিফটে (প্রতি শিফটে গ্রুপ সাইজ ২৫-৩০ জন) ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে (সকালের শিফট ০৮:০০-১০:৩০ ঘটিকা, ১০:৩০-০১:০০ ঘটিকা, দুপুরের শিফট ০৩:৩০-০৪:০০ ঘটিকা এবং বিকেলের শিফট ০৪:০০-০৬:৩০ ঘটিকা)।
৮.
ব্যবহারিক পরীক্ষার ৩টি অংশ যথা: (i) জব, (ii) জব রিপোর্ট ও (iii) মৌখিক এর মান বণ্টন উল্লেখসহ প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্র প্রণয়ণ করে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং পরীক্ষা গ্রহণের প্রমাণক সংরক্ষণ করতে হবে।
৯.
সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে টেকনোলজিভিত্তিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় রেখে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণের উপযোগী ল্যাবের যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকরণ, কাঁচামালের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ, অনাভ্যন্তরীণ পরীক্ষক নিয়োগ, কেন্দ্রের কোনো টেকনোলজি/বিষয়ের ল্যাব না থাকলে অন্য প্রতিষ্ঠানে বিকল্প ল্যাব নির্বাচন ইত্যাদি বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ণ করে ব্যবহারিক পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি প্রস্তুত করে নির্ধারিত সময়ে বোর্ডে প্রেরণ করতে হবে এবং সেই মোতাবেক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
আইইএলটিএস ছাড়াই বিদেশে পড়ার সুযোগ যেসব বিশ্ববিদ্যালয়েনির্দেশনার বিস্তারিত দেখুন এখানে