তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

· Prothom Alo

তুরস্কে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে গতকাল শনিবার দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

গতকাল শনিবার রাত ১১টা ৫১ মিনিটে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

Visit bettingx.club for more information.

পোস্টে বলা হয়, তুরস্ক সফরে গিয়ে সেনাবাহিনীর প্রধান সে দেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রেসিডন্ট মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবিরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সফরকালে সেনাবাহিনীর প্রধান তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী, চিফ অব দ্য জেনারেল স্টাফ, স্থলবাহিনীর কমান্ডার, ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালকের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ ছাড়া সেনাপ্রধান তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সির (এসএসবি) প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন।

তুরস্কের স্থলবাহিনীর সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর প্রধানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

আইএসপিআরের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, সেনাপ্রধানের সফরকালে হওয়া বৈঠকগুলোয় দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষাপ্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে।

সেনাপ্রধান তুরস্ক সফরে

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষাশিল্প ও সামরিক প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনীর প্রধানের এই সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Read full story at source