অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন নাহিদ রানা, অনিশ্চিত শরীফুল–লিটনও
· Prothom Alo

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকেই গেলেন নাহিদ রানা। দুই টেস্টের সিরিজের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারছেন না লিটন দাস, প্রথম টেস্টে খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ শরীফুল ইসলামেরও। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে বিসিবি।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ টি–টুয়েন্টিতে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন নাহিদ রানা। সেই চোট তাঁকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ থেকেও ছিটকে দিল। বোলিংয়ের সময় বাঁ পাশের সাইড স্ট্রেন (পাঁজরের পাশের পেশিতে টান) চোট পান নাহিদ।
Visit somethingsdifferent.biz for more information.
পরে স্ক্যানে তাঁর গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেন নিশ্চিত হয়েছে। সুস্থ হতে তার আনুমানিক চার সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর ওয়ার্কলোড বাড়াতে আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ প্রয়োজন হবে। সবমিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে তাঁর খেলা হচ্ছে না।
আরেক পেসার শরীফুল ইসলামকেও প্রথম টেস্টে পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বিসিবি জানিয়েছে, তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ভালো অগ্রগতি হয়েছে। আগামী ২৯ জুলাই থেকে তিনি পুনরায় বোলিং শুরু করবেন। ১২ আগস্ট নাগাদ তার একটি ফিটনেস অ্যাসেসমেন্ট হওয়ার কথা আছে। ওয়ার্কলোড ও চিকিৎসকের ছাড়পত্র পাওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের জন্য তাঁকে বিবেচনা করা হতে পারে।
একই অবস্থা উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাসেরও। তিনিও খেলতে পারছেন না প্রথম টেস্টে, সম্ভাবনা আছে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামার। বাঁ পায়ের কাফ মাসলের চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন লিটন কুমার দাস। সিঙ্গাপুরে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
আগামী ২৮ জুলাই থেকে তার প্রোগ্রেসিভ রানিং ও কন্ডিশনিং প্রোগ্রাম শুরু করার কথা রয়েছে। ১৩ আগস্ট নাগাদ তার ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা আছে বিসিবির। পুনর্বাসন শেষ করা ও ফিটনেস ছাড়পত্র পাওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে লিটনকে পাওয়ার আশা করছে বিসিবি।
টেস্ট দলের সদস্য নন এমন দুজন ক্রিকেটারেরও চোটের খবর দিয়েছে বিসিবি। এর মধ্যে জিম্বাবুয়েতে গিয়ে চোটে পড়া মোস্তাফিজুর রহমান দ্য হান্ড্রেডে খেলতে পারেননি। বিসিবি জানিয়েছে, তিনি এখন ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং ও কাফ মাসলের চোট থেকে সেরে উঠার প্রক্রিয়ায় আছেন।
এই বাঁ হাতি পেসারের জুলাইয়ের শেষদিকে ফিটনেস পরীক্ষা হতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং ওয়ার্কলোড বাড়াতে পারলে ১৮ আগস্টের পর মোস্তাফিজকে দল নির্বাচনের জন্য বিবেচনা করা হবে।
দীর্ঘদিন ধরে চোটে থাকা আরেক পেসার তানজিম হাসানেরও সম্প্রতি ফলো-আপ স্ক্যান করা হয়েছে। একজন বিদেশী বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি তাঁর পুনর্বাসন কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আট থেকে দশ সপ্তাহ পর তার আরেকটি স্ক্যান করা হবে। ফ্র্যাকচার বা হাড়ের ক্ষত কতটা নিরাময় হচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে মাঠে ফেরার সময়সীমা নির্ধারিত হবে। আপাতত চলতি বছরের শেষের দিকে তিনি মাঠে ফিরতে পারেন।
১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। ২২ আগস্ট দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ম্যাকাইতে।
অস্ট্রেলিয়ার দল দেখে নাজমুল বললেন, ‘এটা আমাদের অর্জন’