জার্মানিতে পড়তে কোন কোন পরীক্ষা প্রয়োজন, জেনে নিন ২০২৬ সালের নিয়ম

· Prothom Alo

জার্মানিতে ২০২৬ সালে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কোর্স, শিক্ষার স্তর ও পাঠদানের ভাষাভেদে বিভিন্ন ভর্তি ও ভাষা দক্ষতা পরীক্ষা দিতে হতে পারে। এ ছাড়া কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অ্যাপটিটিউড টেস্ট অথবা একাডেমিক ইভ্যালুয়েশন সেন্টার (এপিএস) সনদও সংগ্রহ করতে হবে।

Visit freshyourfeel.com for more information.

ভাষা দক্ষতা পরীক্ষা—

ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত কোর্সে আবেদনকারীদের সাধারণত আইএলটিএস বা টোয়েফল পরীক্ষার স্কোর জমা দিতে হয়। অন্যদিকে জার্মান ভাষায় পরিচালিত কোর্সে ভর্তি হতে হলে টেস্টড্যাফ বা ডিএসএইচ (TestDaF বা DSH) পরীক্ষার মাধ্যমে জার্মান ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ দিতে হয়।

স্নাতক পর্যায়ের ভর্তির ক্ষেত্রে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টেস্টঅ্যাস (TestAS) নামে একটি অ্যাপটিটিউড পরীক্ষার ফলাফল চায়। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়ের স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) প্রোগ্রামে অনেক সময় জিআরই পরীক্ষার স্কোর প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া কিছু বিজনেস স্কুলের এমবিএ ও ব্যবস্থাপনা-সংশ্লিষ্ট কোর্সে ভর্তির জন্য জি–ম্যাট স্কোর চাওয়া হয়।

অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা আরও ব্যয়বহুল হচ্ছে, ভিসাসহ যে যে ফি বাড়ছে

বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে শর্ত ভিন্ন—

জার্মানির প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ভর্তি নীতিমালা অনুসরণ করে। তাই আবেদন করার আগে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ভর্তি-সংক্রান্ত যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার শর্ত ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর একাডেমিক ফলাফলকে প্রধান গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে অতিরিক্ত পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও অধ্যয়ন কর্মসূচির ওপর নির্ভর করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএমজিএসে মাস্টার্স, জিপিএ ২.৫০ হলেই আবেদনজার্মানিতে উচ্চশিক্ষা: যে তিন ধরনের শিক্ষার্থী স্বাস্থ্যবিমা থেকে পাবেন অব্যাহতি

Read full story at source