প্রতিবন্ধীদের ভাতা টাকা যাচ্ছে ‘গায়েবি নম্বরে’
· Prothom Alo

মাদারীপুর সদর উপজেলার ছিলারচর এলাকার আবুল কাশেম সরদার ও সীমা আক্তার দম্পতির বড় মেয়ে আরিফা আক্তার (১৪) জন্ম থেকে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। অভাবের সংসারে প্রতিবন্ধী সন্তানকে একটু ভালো রাখতে প্রতিবন্ধী কার্ড ও ভাতার জন্য এক যুগ ধরে লড়াই করে যাচ্ছেন তার মা-বাবা। অবশেষ গত বছর প্রতিবন্ধী কার্ড (সুবর্ণ নাগরিক) পেলেও ভাতার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে গেলে দেখা যায়, ভুয়া এক ব্যক্তি আরিফার নাম–পরিচয় ব্যবহার করে একটি গায়েবি বিকাশ নম্বরে ভাতার টাকা তুলে নিচ্ছেন। বিষয়টি জানার পর সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন আরিফার মা। এরপর কেটে গেছে ছয় মাস। সদর উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয়ে ভুয়া ব্যক্তির ভাতা বাতিল চেয়ে ও বিকাশ নম্বরটি সংশোধনের জন্য দুই দফা আবেদন জানালেও এখনো ওই ভুয়া ব্যক্তিই পাচ্ছেন ভাতা।
হতাশা নিয়ে আরিফার মা সীমা আক্তার বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। এমনও দিন গেছে, মাইডারে দুই বেলা ভাতও খাওয়াইতে পারি নাই। সরকারের কাছে মাইডার প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন করলাম, জায়গায় জায়গায় গিয়াও মাইডার জইন্য ভাতাডা আনতে পাইরলাম না। আমার মাইয়াডার নাম–পরিচয় ব্যবহার কইরা যে টাকা তুইলা লইতাছে, তার বিচারও পাইলাম না। চেয়ারম্যান-মেম্বার কতজনার কাছে গেছি, কেউ কোনো সাহায্য করে নাই। তারা কয়, প্রতিবন্ধী মাইয়া লইয়া ভাতা খাওয়ার কী দরকার?’
Visit esporist.org for more information.
এত গেল আরিফার কথা। তারই পার্শ্ববর্তী মো. হেদায়েত হাওলাদারের ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শাকিল হাওলাদার (১৫) প্রতিবন্ধী কার্ড পেলেও ভাতা পায়নি। তার নাম–পরিচয় ব্যবহার করে ভাতার টাকা ভোগ করছেন রূপা আক্তার নামের একজন। বিষয়টি একাধিকবার সমাজসেবায় জানানো হলেও কার্যত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শাকিলের বাবা দেয়ায়েত হাওলাদার বলেন, ‘আমার তিন ছেলে, সবাই প্রতিবন্ধী। ছোট ছেলে শাকিলের ভাতার জন্য অনেক চেষ্টা করছি। লাভ হয় নাই। ওর ভাতা পায় অন্য একজন। বিষয়টি নিয়ে সরকারি অফিস, মেম্বার, চেয়ারম্যানের কাছে বারবার গেছি। তাঁরা শুধু পাব পাব কইলেও ভাতা আর দেয় নাই।’
সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী তাহমিনা আক্তার, তাঁতিবাড়ি এলাকার সেলিনা আক্তার, মস্তফাপুর এলাকার সোহানা আক্তার, পাঁচখোলা এলাকার চম্পা আক্তারসহ অন্তত শতাধিক ভাতাপ্রত্যাশী সমাজসেবা হতে তিন মাস অন্তর অন্তর ২ হাজার ৭১৬ টাকা করে ভাতা পেলেও মাঝেমধেই তাদের এই ভাতার টাকা চলে যায় গায়েবি নম্বরে। অভিযোগ উঠেছে, সমাজসেবায় কর্মরত সমাজকর্মীরা কৌশলে নম্বর পরিবর্তন করে তাঁদের পছন্দমতো বিকাশ নম্বর বসিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা আবেদন করলে এক বছরের মধ্যে তিনি ভাতা পাবেন। আরিফা ও শাকিলের বিষয় আমার কিছু জানা নেই। তাদের কোনো আবেদনও আমি পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গায়েবি নম্বরে ভাতার কোনো টাকা যাওয়ার কথা না। এখানে ভুলে অন্য নম্বরে টাকা যেতে পারে। তবে আধুনিক নিয়মে ভুল হওয়ার সুযোগ নেই।’
মীনা বেগম, প্রতিবন্ধী আ. রশিদের মেয়েআমরা কত কষ্ট কইরা চলতাছি। আমার ছোট ভাইডা এতিখানায় থাকে। আমাগো দিক কেউ তাকায় না। আমার আব্বার নামে থাকা ভাতার টাকা অন্য কেউ ভোগ করতাছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।মৃত ব্যক্তির নামে যাচ্ছে টাকা
মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের খৈয়ারভাঙ্গা এলাকার আ. রশিদ হাওলাদার ২০২৩ সালের ২০ ডিসেম্বর মারা গেছেন। তিনি সমাজসেবা থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা বাবদ বিকাশে ৩ মাসে ২ হাজার ৭১৬ টাকা পেতেন। মারা যাওয়ার পর তার ভাতা বন্ধ না হয়ে চলে যাচ্ছে অন্য একটি বিকাশ নম্বরে। মৃত ব্যক্তি আ. রশিদের ভাতার টাকা এখন ভোগ করছেন এচমোতারা নামের এক স্বাভাবিক সচ্ছল নারী।
প্রতিবন্ধী আ. রশিদ মারা যাওয়ার পর সমাজসেবা কার্যালয় থেকে তাঁর বাড়ি পরিদর্শন করেছে এবং তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ভাতাপ্রাপ্ত কেউ মারা গেলে তাঁর ভাতা তিন মাস পর বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু তাঁর ভাতা বন্ধ না হয়ে বিকাশ নম্বরটি পরিবর্তন হয়ে এখন ভাতাভোগী হয়েছেন এচমোতারা নামের ওই নারী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এচমোতারা প্রতিবন্ধী নয়। তাঁর বাড়ি মস্তফাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খৈয়ারভাঙ্গা এলাকায়। অভিযোগ রয়েছে, অনৈতিক চুক্তির বিনিময়ে মাদারীপুর সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে এচমোতারা প্রতিবন্ধী ভাতাভোগী হয়েছেন।
প্রতিবন্ধী আ. রশিদের স্ত্রী মারা গেছেন। তাঁর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। এর মধ্যে সাত বছর বয়সী তাঁর ছোট ছেলে রিফাত হাওলাদার একটি এতিমখানায় থাকে। প্রতিবন্ধী বাবার ভাতার টাকা অন্য ব্যক্তি পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁর মেয়ে মীনা বেগম বলেন, ‘আমরা কত কষ্ট কইরা চলতাছি। আমার ছোট ভাইডা এতিখানায় থাকে। আমাগো দিক কেউ তাকায় না। আমার আব্বার নামে থাকা ভাতার টাকা অন্য কেউ ভোগ করতাছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
একই ঘটনা ঘটেছে সদর উপজেলার কুনিয়া এলাকার শারীরিক প্রতিবন্ধী গোলাম মওলা মুন্সির সঙ্গে। তিনি প্রায় চার বছর আগে মারা গেছেন। মারা যাওয়ার পর অলৌকিকভাবে তাঁর বিকাশ নম্বর পরিবর্তন হয়ে এখন ভাতা পাচ্ছেন মনোয়ারা বেগম নামের এক নারী। তবে এই নারীর ঠিকানা পাওয়া যায়নি। গোলাম মওলার স্ত্রী মালা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আর প্রতিবন্ধী ভাতা পাই নাই। কে বা কারা এখন ভাতা খাচ্ছে, তা জানিও না। আমার মৃত স্বামীর নামে কেউ যদি এখনো ভাতা নিয়ে থাকে, তাহলে আমি তার বিচার চাই।’
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী আরিফা আক্তার শারীরিকভাবে অক্ষম। মায়ের সাহায্য ছাড়া চলাফেরা করতে পারে না সে। আরিফাকে একটু ভালো রাখতে ভাতার জন্য সমাজসেবা কার্যালয়ে ঘুরেছেন মা সীমা আক্তার। সম্প্রতি মাদারীপুর সদর উপজেলার ছিলারচর এলাকায়নতুন নিয়মের ফাঁদে প্রতিবন্ধীরা
মাদারীপুর সদর সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীন প্রতিবন্ধী ভাতাভোগী রয়েছে ৬ হাজার ২০০ জন। সামাজিক নিরাপত্তা কমূর্সচির উপকারভোগীর নিবন্ধিত মুঠোফোনে এমএফএস অ্যাকাউন্টে ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে গত ২৮ ডিসেম্বর একটি চিঠি ইসু করেন সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামান। তাঁর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সদরের প্রতিটি ইউনিয়নে সমজকর্মীরা প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দ্বারা বিকাশ ও মুঠোফোনের সিমকার্ড সরবরাহ করতে বলা হয়। এরপর উপকারভোগীদের একটি বড় অংশ নতুন সিমকার্ড ক্রয় করে নতুন করে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলেন। পরবর্তীকালে নতুন নম্বর দেওয়া হলেও সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তড়িঘড়ি করে বন্ধ থাকা পুরোনো নম্বর দিয়ে পে-রোল পাঠিয়ে দেন। ফলে সর্বশেষ কিস্তির (জানুয়ারি-মার্চ) অধিকাংশ ভাতাভোগীরা ভাতার ২ হাজার ৭১৬ টাকা পাননি।
সবশেষ তিন মাসের ভাতা না পাওয়া ৯ জনের পরিবারের বাড়িতে যান এই প্রতিবেদক। তাঁরা হলেন সদর উপজেলার ঘটমাঝি এলাকার স্বপন খানের ছেলে মো. সাইফুল খান, পেয়ারপুর ইউনিয়নের কুমরাখালী এলাকার আজিজুল ব্যাপারীর ছেলে শাকিল ব্যাপারী, দুধখালী এলাকার নয়জউদ্দিন ব্যাপারী সূর্য বেগম, রাস্তি এলাকার হাকিম সরদারের ছেলে সাবিনা, রাস্তি এলাকার রহম হাওলাদার ছেলে মো. সহিদ হাওলাদার, একই এলাকার আবজাল জোমাদ্দারের মেয়ে লাবিয়া আক্তার, ঘটমাঝি এলাকার মিজান খানের ছেলে মালিহা ইসলাম মুন, পাঁচখোলা এলাকার লতিফ ব্যাপারীর মেয়ে চম্পা বেগম ও খৈয়ারভাঙ্গা এলাকার সেলিনা আক্তার।
প্রতিবন্ধী চম্পার মা রাবিয়া বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘রমজান মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) আমার মেয়ে ভাতার টাকা পায় নাই। টাকা না পাওয়ায় কানের মেশিনের ব্যাটারিটা ওরে কিইনা দিতে পারি নাই। ধারদেনা কইরা ওরে চালাইতাছি। খুব কষ্টে আছি। নতুন নম্বর দিছি চার মাস হইয়া গেল। এখনো কোনো টাকা আমরা পাই নাই।’
ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী নারী সেলিনা আক্তারের বড় বোন বলেন, ‘এই ঈদেও টাকা পাই নাই। এই টাকাডা অফিসের লোকজন খাইয়া ফালাইছে। তাদের কাছে বললে বলে, সামনের মাস থেকে টাকা পামু।’
গায়েবি নম্বরে যাচ্ছে টাকা
মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালী এলাকার আরেক আলী মৃধা ও সুফিয়া বেগম দম্পতির মেয়ে মাকসুদা বেগম শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনি বিকাশের মাধ্যমে ভাতা পাচ্ছেন। তবে তাঁর মা-বাবার নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে এসমোতারা নামের এক নারীও ভাতার তালিকায় রয়েছেন। তবে এসমোতারা ভাতার টাকা পান না। ভাতার টাকা যাঁর বিকাশ নম্বরে যাচ্ছে, তার নাম আনোয়ার হোসেন। তিনি কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর এলাকার আক্তার উদ্দিনের ছেলে। এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার মোবাইলে টাকা আসে। এটি পারলে আপনারা বন্ধ করে দেন। আমি কেন বন্ধ করতে যাব।’
এ রকম আরও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির নাম–ঠিকানা ঠিক থাকলে বিকাশ নম্বরটি গায়েবি। অনুসন্ধানে সদর উপজেলায় প্রতিবন্ধী ভাতাভোগী ৬ হাজার ২০০ জনের মধ্যে ৬০টি গায়েবি মুঠোফোন নম্বরে টাকা যাওয়ার প্রমাণ মিলেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গায়েবি নম্বরে টাকা যাচ্ছে কি না, সেটা আমাদের জানা নেই। আবেদনে যদি ভাতাভোগী ভুল লেখে, তাহলে এই দায়িত্ব আবেদনকারীর। তারপরও সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করলে তা ঠিক করে দেওয়া হবে।’
ভুক্তভোগী উপকারভোগীদের থেকে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সদর উপজেলার ১৭ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন। সেখানে তাঁরা উল্লেখ করেন ভাতার তালিকায় তাঁদের নাম–ঠিকানা সঠিক থাকলেও টাকা আসা বিকাশ অ্যাকাউন্টের নম্বরগুলো গায়েবি।
১৭ জনের পক্ষে আবেদন করা প্রতিবন্ধী ঝর্ণা আক্তারের বোন সুমা আক্তার বলেন, ‘২০২৩-২৪ অর্থবছরের অনেকগুলো মাসের টাকা আমার বোনসহ অনেক উপকারভোগী পায়নি। ওই টাকা আত্মসাৎ হলেও আর ফেরত দেওয়া হয়নি। তৎকালীন সদর উপজেলার সমাজসেবা অফিসার উজ্জ্বল মুনশি কৌশলে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। একপর্যায় তিনি মীমাংসা করার চেষ্টাও করেছেন। পরে তিনি বদলি হয়ে চলে গেছেন।’
এ ঘটনায় উজ্জ্বল মুনশির বিরুদ্ধে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে তদন্ত কমিটিও করা হয়। তবে তাঁকে শাস্তিস্বরূপ বদলি ছাড়া কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমানে উজ্জ্বল মুনশি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় কর্মরত রয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইতে উজ্জ্বল মুনশিকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কল ধরেননি।
সমাজসেবা অধিদপ্তর মাদারীপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক বিশ্বজিৎ বৈদ্য প্রথম আলোকে বলেন, ‘তৎকালীন অফিসার উজ্জ্বল মুনশির নম্বরে বিভিন্ন ভাতাভোগীর টাকা যেত। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ আসায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করে রিপোর্ট ইতিমধ্যে সদর দপ্তরে জমা দিয়েছে। বর্তমানে উপকারভোগীদের টাকা যেন অন্য নম্বরে না যায়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তারপরও যদি এমন কোনো ঘটনা থাকে, তাহলে আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
এ বিষয়ে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, ‘প্রতিবন্ধীদের ভাতার টাকা নিয়ে কোনো নয়ছয় মেনে নেওয়া হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেব। এ ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে মনিটরিং করা হবে।’