কী হলো এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবে

· Prothom Alo

পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে গত শনিবার রাতে ৭৯তম কান উৎসবের পর্দা নামল। শেষ পর্যন্ত স্বর্ণপাম জিতেছে রোমানিয়ান পরিচালক ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউর ছবি ‘ফিওর’। এএফপি, বিবিসি ও ভ্যারাইটি অবলম্বনে এবারের গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারগুলো নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

স্বর্ণপাম
‘ফিওর’, রোমানিয়া
উদারনৈতিক সমাজের ভেতরের দ্বন্দ্ব ও ভণ্ডামিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে ‘ফিওর’। এক প্রবাসী রোমানিয়ান পরিবারকে ঘিরে গল্প আবর্তিত হয়েছে। কঠোর ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে তারা নরওয়ের এক ছোট্ট গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে। শুরুতে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ধীরে ধীরে স্থানীয় সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হতে থাকে। পরিবারটির বিরুদ্ধে একপর্যায়ে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এরপরই তাদের সন্তানদের রাষ্ট্রীয় হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও পুরো পরিস্থিতি পরিবারটিকে এক দুঃস্বপ্নের মধ্যে ঠেলে দেয়। বাস্তব ঘটনার প্রেরণায় নির্মিত ১৪৬ মিনিটের এই ছবিতে অভিনয় করেছেন সেবাস্তিয়ান স্ট্যান ও রেনাতে রেইনসভে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

স্বর্ণপাম হাতে ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউ। এএফপি

পুরস্কার গ্রহণের সময় মুঙ্গিউ বলেন, ‘এটি সহনশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও সহমর্মিতার গল্প। আমরা সবাই এসব মূল্যবোধকে ভালোবাসি। কিন্তু এগুলো বাস্তবে আরও বেশি প্রয়োগ করা প্রয়োজন।’ ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউ কান উৎসবের পুরোনো পরিচিত নাম। ২০০৭ সালে তাঁর সিনেমা ‘৪ মান্থস, ৩ উইকস অ্যান্ড ২ ডেজ’ জিতে নেয় স্বর্ণপাম। পরে ‘বিয়ন্ড দ্য হিলস’-এর জন্য পান সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার আর ‘গ্র্যাজুয়েশন তাঁকে এনে দেয় সেরা পরিচালকের স্বীকৃতি। এবার দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণপাম জিতলেন তিনি।

গ্রাঁ প্রি
‘মিনোটর’, ফ্রান্স
উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান গ্রাঁ প্রি জিতেছে রুশ নির্মাতা আন্দ্রেই জিয়াগিন্তেজেভের ‘মিনোটর’। দীর্ঘদিন ধরেই রুশ সমাজ, রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি, ক্ষমতার নির্মমতা ও মানুষের ব্যক্তিগত সংকট নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে আসছেন জিয়াগিন্তেজেভ। তাঁর সিনেমায় রাশিয়াকে কখনো বীরত্বপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে দেখা যায় না; বরং দেখা যায় ভেঙে পড়া পরিবার, একাকিত্ব, নৈতিক সংকট আর ক্ষমতার নিষ্ঠুরতা। এ কারণেই তিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রমহলে যেমন সম্মানিত, তেমনি রাশিয়ার ক্ষমতাকেন্দ্রের কাছে অস্বস্তিকর এক নাম।

উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মান গ্রাঁ প্রি জিতেছে রুশ নির্মাতা আন্দ্রেই জিয়াগিন্তেজেভের ‘মিনোটর’। রয়টার্স

ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুর সময়কে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে ‘মিনোটর’। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র গ্লেব সফল এক ব্যবসায়ী, যার জীবন বাইরে থেকে নিখুঁত মনে হলেও ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে শুরু করে। যুদ্ধের কারণে রাষ্ট্র যখন মানুষ ও সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিতে শুরু করে, তখন ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সন্দেহ, ভয় এবং আত্মরক্ষার প্রবৃত্তি কীভাবে আরও তীব্র হয়ে ওঠে, সেটাই ছবিতে দেখানো হয়েছে। পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে তিনি সরাসরি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘সীমান্তের দুই পাশের লাখো মানুষ শুধু একটি জিনিস চায়, এই হত্যাযজ্ঞ থামুক। এই রক্তপাত বন্ধ করার ক্ষমতা একমাত্র রাশিয়ার প্রেসিডেন্টেরই আছে।’

২০১৭ সালে জিয়াগিন্তেজেভের সিনেমা ‘লাভলেস’ কানে জুরি পুরস্কার জেতে ও পরে অস্কার মনোনয়নও পায়। তবে এরপর তাঁর জীবনে নেমে আসে কঠিন সময়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালালে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। বর্তমানে তিনি ফ্রান্সে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।

পাওয়েল পাভলিকোভস্কির সঙ্গে (মাঝে) হাভিয়ের আমব্রোসি ও হাভিয়ের কালভো। ছবি: রয়টার্স

সেরা পরিচালক
হাভিয়ের অ্যামব্রোসি ও হাভিয়ের কালভো, স্পেন এবং পাভেল পাভলিকোভস্কি, পোল্যান্ড
স্পেনের কবি ও নাট্যকার ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকাকে নিয়ে নির্মিত ‘দ্য ব্ল্যাক বল’–এর জন্য সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন স্প্যানিশ নির্মাতা জুটি হাভিয়ের আমব্রোসি ও হাভিয়ের কালভো। চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে তারা ‘লস জাভিস’ নামেই পরিচিত বেশি। দীর্ঘদিন ধরে স্প্যানিশ টেলিভিশন ও স্ট্রিমিং–দুনিয়ায় নিজেদের আলাদা ভাষা তৈরি করা এই দুই নির্মাতা এবার বিশ্বমঞ্চেও জায়গা করে নিলেন। স্প্যানিশ টিভি সিরিজে অভিনয় করে পরিচিতি পান হাভিয়ার কালভো। নাটক ও মঞ্চনির্ভর কাজে যুক্ত ছিলেন অ্যামব্রোসি। কাজ করতে করতেই তাঁদের ব্যক্তিগত ও সৃজনশীল সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মিউজিক্যাল ড্রামা দ্য কল দিয়ে প্রথম বড় সাফল্য পান দুজন। পরে সেটিকেই চলচ্চিত্রে রূপ দেন। তবে আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁদের সবচেয়ে বড় পরিচিতি দেয় টিভি সিরিজ ভেনেনো। তাঁদের নির্মাণশৈলীর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য—ব্যক্তিগত গল্পকে খুব সহজভাবে রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারেন। তাঁদের চরিত্ররা সাধারণত সমাজের প্রান্তিক মানুষ। ধর্ম, যৌনতা, পরিবার কিংবা সামাজিক পরিচয়—যে বিষয়গুলো নিয়ে ইউরোপীয় সমাজে দীর্ঘদিন দ্বন্দ্ব রয়েছে, সেগুলোকেই তাঁরা মানবিক ও আবেগঘনভাবে পর্দায় তুলে আনেন।

সেরা নির্মাতার পুরস্কার পাওয়া আরেকজন পাভেল পাভলিকোভস্কি অনেক দিন ধরেই ইউরোপীয় সিনেমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্মাতা। কয়েক দশকের ক্যারিয়ারে এমন এক চলচ্চিত্রের ভাষা তৈরি করেছেন এই পোলিশ নির্মাতা, যেখানে সংলাপের চেয়ে নীরবতা কথা বলে বেশি। ছোটবেলায় রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় পরিবার নিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। জার্মানি ও ইতালি ঘুরে যুক্তরাজ্যে স্থায়ী হন। নব্বইয়ের দশকে ব্রিটিশ টেলিভিশনের জন্য নির্মিত তাঁর তথ্যচিত্রগুলো দ্রুত নজর কাড়ে। বিশেষ করে রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বাস্তব মানুষের জীবন, রাজনৈতিক ব্যবস্থার চাপ ও পরিচয়ের সংকট—তখন থেকেই এ বিষয়গুলো তাঁর কাজে বারবার ফিরে আসে। ‘মাই সামার অব লাভ’ সিনেমা দিয়ে পান আন্তর্জাতিক পরিচিতি। তবে ২০১৩ সালের সিনেমা ইডা তাঁকে নির্মাতা হিসেবে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। সাদা-কালোয় নির্মিত এই ছবির গল্প এক নবীন সন্ন্যাসিনীকে ঘিরে, যে জানতে পারে, তার পরিবার ইহুদি ছিল ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভয়াবহ ট্র্যাজেডির শিকার হয়েছিল। ছবিটি অস্কারে সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্রের পুরস্কার জেতে। পোলিশ সিনেমার ইতিহাসেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে আছে।

সেরা অভিনেত্রী তাও ওকামোতো ও ভার্জিনি এফিরা। ছবি: রয়টার্স

সেরা অভিনেত্রী
তাও ওকামোতো, জাপান ও ভার্জিনি এফিরা, বেলজিয়াম
বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে রিউসুকে হামাগুচির আবেগঘন সিনেমা ‘অল অব আ সাডেন’–এ অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন এ দুজন। এর মধ্যে তাও ওকামোতো মডেলিং দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও ধীরে ধীরে হলিউড ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন। ১৯৮৫ সালে জাপানের চিবায় শহরে তাওয়ের জন্ম। কৈশোরেই মডেলিংয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর। মাত্র ১৪ বছর বয়সে স্থানীয় মডেলিং এজেন্সির সঙ্গে কাজ শুরু করেন। তাঁর ছোট চুল, মিনিমাল লুক আর অভিব্যক্তি দ্রুতই তাঁকে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়। মডেলিংয়ের সাফল্যের পর অভিনয়ে আসেন তাও। আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে তাঁর বড় পরিচিতি দেয় দ্য উলভারিন। এরপর তিনি অভিনয় করেন ‘ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান: ডন অব জাস্টিস’, হ্যানিবল’ ও ‘ওয়েস্টল্যান্ড’–এর মতো প্রকল্পে।

অন্যদিকে ভার্জিনি এফিরা ইউরোপীয় সিনেমার শক্তিশালী অভিনয়শিল্পী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত তিনি। ১৯৭৭ সালে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে জন্ম। ছোটবেলা থেকেই অভিনয় ও মিডিয়ার প্রতি আগ্রহ। ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি স্থানীয় টেলিভিশনে উপস্থাপনা করতেন। পরে ফ্রান্সে গিয়ে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন। বিভিন্ন টিভি শো সঞ্চালনার মাধ্যমে দ্রুত পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। তবে দীর্ঘ সময় তাঁকে শুধু টিভি ব্যক্তিত্ব হিসেবেই দেখা হতো। ২০১৩ সালে ইট বয় সিনেমায় প্রথম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র পান। রোমান্টিক কমেডি থেকে বেরিয়ে ধীরে ধীরে জটিল ও আবেগঘন চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন। বিশেষ করে ফরাসি পরিচালক পল ভারহোভেনের ‘এল’ ও ‘বেনেডেট্টা’য় অভিনয় তাঁর ক্যারিয়ারে নতুন মোড় এনে দেয়।

কার হাতে কোন পুরস্কার

সেরা অভিনেতা
ইমানুয়েল মাকিয়া, বেলজিয়াম ও ভ্যালোঁতাঁ কম্পানি, ফ্রান্স
লুকাস দন্তের ‘কাওয়ার্ড’–এ অভিনয় করে সেরা অভিনেতার পুরস্কার বাগিয়েছেন এ দুজন। সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কার দুই তরুণকে ঘিরে। নতুন সৈনিক পিয়েরে যুদ্ধক্ষেত্রে এসে নিজেকে প্রমাণ করতে চায়। অন্যদিকে ফ্রান্সিস যুদ্ধের বিভীষিকার মধ্যে সহযোদ্ধাদের মানসিকভাবে বাঁচিয়ে রাখতে একটি থিয়েটার শো আয়োজনের চেষ্টা করে।

সেরা অভিনেতা ইমানুয়েল মাকিয়া ও ভ্যালোঁতাঁ কম্পানি। ছবি: রয়টার্স

ফরাসি ও ইউরোপীয় সিনেমায় ভ্যালোঁতাঁ কম্পানিকে নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনাময় অভিনেতাদের একজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর অভিনয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সংযম। তিনি খুব কম সংলাপ বা অঙ্গভঙ্গি দিয়েও চরিত্রের গভীর আবেগ ফুটিয়ে তুলতে পারেন। গত বছর কেস ১৩৭ দিয়ে বড় পর্দায় তাঁর অভিষেক হয়েছে।
অন্যদিকে ইমানুয়েল মাকিয়াও অভিনয়ে নতুন। ভ্যালোঁতাঁ কম্পানির মতো তাঁকে আগামী দিনের সম্ভাবনাময় তারকা মনে করা হচ্ছে। ‘কাওয়ার্ড’ ছবিতে মাকিয়া এমন এক তরুণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যে যুদ্ধের নিষ্ঠুর বাস্তবতার মাঝেও মানবিক সম্পর্ক ও ভালোবাসাকে আঁকড়ে ধরতে চায়। ২০ বছর বয়সী মাকিয়া ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেকচার নিয়ে পড়ছেন। নিজের সিনেমার জন্য নতুন অভিনেতা খুঁজতে খুঁজতেই তাঁকে পেয়ে যান দন্ত। এরপর তো ইতিহাস, এসেই কানে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতলেন।

মেরি-ক্লেমেন্টিন দুসাবেজাম্বো। ছবি: এএফপি

ক্যামেরা দ’র
মেরি-ক্লেমেন্টিন দুসাবেজাম্বো, রুয়ান্ডা
মারি ক্লেমেন্টিন দুসাবেজাম্বোর জন্ম ও বেড়ে ওঠা রুয়ান্ডায়। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে এমন এক সমাজে, যা ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ গণহত্যার ক্ষত বহন করে চলেছে। তবে তিনি শুধু সহিংসতার গল্প বলেন না; বরং সেই ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও মানুষ কীভাবে বেঁচে থাকে, ভালোবাসে ও নতুন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে—সেটিও তুলে ধরেন। প্রথমে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে পরিচিতি পান দুসাবেজাম্বো। তাঁর আগের কাজগুলোতেও নারীর অভিজ্ঞতা, সামাজিক বৈষম্য ও আফ্রিকার বাস্তবতা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেয়েছে। ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে তাঁর কাজ প্রদর্শিত হতে শুরু করে। এবার তিনি পুরস্কার পেলেন ‘বেন’ইমানা’র জন্য। গণহত্যার পটভূমিতে নির্মিত সিনেমাটিতে ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে রুয়ান্ডার সামাজিক বাস্তবতা। কানের মঞ্চে পুরস্কার গ্রহণের সময় তিনি পুরস্কারটি উৎসর্গ করেন নিজের দেশের নারীদের।

Read full story at source