ফ্রিজ দীর্ঘদিন ভালো রাখবেন যেভাবে
· Prothom Alo

ফ্রিজ এমন একটি যন্ত্র, যা নিয়মিত যত্নে বছরের পর বছর অনায়াসে সার্ভিস দেয়। ওয়ারেন্টির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে শুরু থেকেই এর সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
সঠিক তাপমাত্রা: ফ্রিজের নরমাল অংশের তাপমাত্রা ৩-৪০ সেলসিয়াস (৩৭-৪০০ ফারেনহাইট) এবং ডিপ ফ্রিজের তাপমাত্রা -১৮০ সেলসিয়াসের (০০ ফারেনহাইট) আশপাশে রাখুন।
Visit esporist.org for more information.
গরম খাবার পরিহার: রান্না করা গরম খাবার কখনোই সরাসরি ফ্রিজে রাখবেন না। এতে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং কম্প্রেসরের ওপর চাপ পড়ে।
পর্যাপ্ত জায়গা রাখা: ফ্রিজের ভেতরে ঠান্ডা বাতাস চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা খালি রাখুন।
ঢাকনাযুক্ত পাত্রের ব্যবহার: প্রতিটি খাবার ঢাকনাযুক্ত বাটিতে, এয়ারটাইট বক্সে বা জিপলক ব্যাগে সংরক্ষণ করুন। এতে খাবারের গন্ধ ছড়াবে না।
দরজা বারবার না খোলা: দরজা বারবার খুললে বা দীর্ঘক্ষণ খোলা রাখলে ভেতরের ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়, যা কম্প্রেসরকে বেশি খাটিয়ে বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দেয়।
সঠিক তাকে সঠিক খাবার: দরজার তাকে ডিম বা দুধ না রেখে সস, জ্যাম, জুস বা পানির বোতল রাখুন। নিচের ড্রয়ারে শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন।
গ্যাসকেট পরীক্ষা: ফ্রিজের দরজার চারপাশের রাবার (গ্যাসকেট) ঠিকমতো আটকাচ্ছে কি না, তা মাঝে মাঝে পরীক্ষা করুন। রাবার ঢিলা হলে বাতাস ঢুকে কুলিং কমে যায়।
দেয়াল থেকে দূরত্ব: ফ্রিজের পেছনে থাকা কয়েল ও মোটর যাতে সহজে তাপ বিকিরণ করতে পারে, সে জন্য ফ্রিজটি পেছনের দেয়াল থেকে ২ থেকে ৩ ইঞ্চি দূরে স্থাপন করুন।
নিয়মিত পরিষ্কার করা: মাসে অন্তত একবার ফ্রিজের ভেতরটা পরিষ্কার করুন। হালকা গরম পানিতে একটু বেকিং সোডা বা ভিনেগার মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
অতিরিক্ত বরফ জমতে না দেওয়া: আপনার ফ্রিজটি যদি ‘ফ্রস্ট-ফ্রি’ প্রযুক্তির না হয়, তবে ডিপ ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমতে দেবেন না। বরফের স্তর আধা ইঞ্চি হওয়ার আগেই ডিফ্রস্ট করুন।