উইন্ডোজের ডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাসে নিরাপত্তাত্রুটি, কম্পিউটারে সাইবার হামলার আশঙ্কায় মাইক্রোসফট
· Prothom Alo

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে বিল্ট ইন ভাবে যুক্ত ডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাসে একাধিক নিরাপত্তাত্রুটির সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা কম্পিউটার ও ল্যাপটপে ‘ডিনায়াল অব সার্ভিস’ ঘরানার হামলা চালিয়ে ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তথ্য সংগ্রহ করতে পারে বলে সতর্ক করেছে মাইক্রোসফট।
মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, ত্রুটিগুলো উইন্ডোজ ডিফেন্ডারের অ্যান্টি ম্যালওয়্যার ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এগুলোর মাধ্যমে দূর থেকে কোনো কম্পিউটারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে ত্রুটিগুলো শনাক্ত হওয়ার পরপরই ডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাসে থাকা ত্রুটিগুলো দূর করে হালনাগাদ সংস্করণ প্রকাশ করেছে মাইক্রোসফট। আর তাই সম্ভাব্য সাইবার হামলা থেকে রক্ষা পেতে অবশ্যই হালনাগাদ সংস্করণের ডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
Visit newsbetting.cv for more information.
যেসব কম্পিউটারে উইন্ডোজ ডিফেন্ডারের স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ সুবিধা চালু রয়েছে, সেগুলোতে ইতিমধ্যে ডিফেন্ডারের নতুন সংস্করণ ইনস্টল হয়ে যাওয়ার কথা। কম্পিউটারে ডিফেন্ডারের নতুন সংস্করণ ইনস্টল হয়েছে কি না, তা জানার জন্য প্রথমে ‘উইন্ডোজ সিকিউরিটি’ অপশন চালু করে ‘ভাইরাস অ্যান্ড থ্রেট প্রোটেকশন’ অংশে যেতে হবে। এরপর ‘প্রোটেকশন আপডেটস’ থেকে ‘চেক ফর আপডেটস’ নির্বাচন করতে হবে। সবশেষে ‘সেটিংস’-এর ‘অ্যাবাউট’ অংশে গিয়ে অ্যান্টি ম্যালওয়্যার ক্লায়েন্টের সংস্করণ নম্বর মিলিয়ে দেখতে হবে। সেখানে ১.১.২৬০৪০.৮ এবং ৪.১৮.২৬০৪০.৭ সংস্করণ দেখা গেলে বুঝতে হবে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা হালনাগাদ সম্পন্ন হয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিগত তথ্য ও যন্ত্রের নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখতে নিয়মিত নিরাপত্তা হালনাগাদ ইনস্টল করা জরুরি। বিশেষ করে স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ সুবিধা চালু থাকলে এ ধরনের সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলা করা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।
সূত্র: ম্যাশেবল