গরুর মাংস আমদানি করতে চান রেস্তোরাঁমালিকেরা

· Prothom Alo

রেস্তোরাঁ খাতের গভীর সংকট ও সমাধানের ১১ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। আজ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে

দেশের বাজারে গরুর মাংসের দাম তুলনামূলক বেশি। চাহিদার তুলনায় গরুর মাংসের সরবরাহও কম। এ ছাড়া পশুখাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেক এলাকায় গরু-ছাগল পালন কমেছে। এমন যুক্তি দেখিয়ে নিজেরাই বিদেশ থেকে গরুর মাংস আমদানি করতে চান রেস্তোরাঁমালিকেরা।

আজ রোববার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ লিখিত বক্তব্যে দেন রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান।

Visit saltysenoritaaz.org for more information.

বাজেটকে সামনে রেখে রেস্তোরাঁ খাতের গভীর সংকট ও সমাধানের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটি। এ সময় সরকারের কাছে নিজেরাই গরুর মাংস আমদানির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান সংগঠনের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সহসভাপতি শাহ সুলতান খোকন, মহাসচিব ইমরান হাসান, যুগ্ম মহাসচিব ফিরোজ আলম, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আমির হোসেনসহ প্রমুখ।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি জানায়, দেশের বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। আগের তুলনায় সরবরাহ কমেছে। পাশাপাশি সিন্ডিকেটের কারণে পশুখাদ্যের দাম বেড়েছে। এতে অনেক এলাকায় গবাদিপশু পালন কমেছে। সব মিলিয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের রেস্তোরাঁ খাতে।

১১ দফা দাবিতে আরও যা আছে

সংবাদ সম্মেলনে রেস্তোরাঁ পরিচালনায় ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু, বাজেটে ভ্যাট ও কর কমানো, এলপিজি সংকট সমাধান, রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা, ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের প্রক্রিয়া সহজ করাসহ মোট ১১টি দাবি তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মহাসচিব ইমরান হাসান রেস্তোরাঁ খাতে সম্পূরক শুল্ক ও উৎসে কর কমানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রেস্তোরাঁ খাতে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো হলেও ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, উৎসে করসহ অন্যান্য করের চাপে ব্যবসায়ীরা হিমশিম খাচ্ছেন। তাই আগামী বাজেটে কর সহনীয় রাখা, উৎসে কর প্রত্যাহার এবং শ্রমিক-কর্মচারীদের ক্যানটিন ও ক্যাটারিং সেবায় ভ্যাট ৫ শতাংশ করার দাবি জানান তিনি।

ইমরান হাসান বলেন, দেশের ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ অনিবন্ধিত। অনেক ব্যবসায়ী স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। এ ছাড়া এলপিজি গ্যাসের সংকট বর্তমানে একটি গুরুতর সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেক নতুন ও ছোট রেস্তোরাঁ গ্যাস–সংযোগের অভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছে না। তাই পরিকল্পিতভাবে নতুন সংযোগ চালু হলে এলপিজির ওপর নির্ভরতা কমবে, খরচও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

এ ছাড়া কিছু অসাধু গোষ্ঠী ট্রেড ইউনিয়নের নাম ব্যবহার করে রেস্তোরাঁমালিকদের হয়রানি, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি ও জিম্মি করার মতো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তাই এসব ব্যবস্থার প্রতিকার দাবি করে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

Read full story at source